শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
বৃক্ষ শূন্যতাই ডেকে আনতে পারে পরিবেশ বিপর্যয়; প্রত্যেকেই হোন বৃক্ষপ্রেমী দৃষ্টিনন্দন বাবুই পাখির বাসা আজ বিলুপ্তির পথে অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা চালক নিহত; স্বজন ও এলাকাবাসীর বিক্ষোভে মহাসড়ক অবরোধ তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন, কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত শিক্ষকদের তালাবদ্ধ করে রাখল ছাত্র-ছাত্রীরা, ইউএনওর হস্তক্ষেপে মুক্ত ‎তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ১সেন্টিমিটার ওপরে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার
লালমনিরহাটের ঐতিহ্যবাহী সুকান দীঘিতে পদ্মফুল ফুটেছে

লালমনিরহাটের ঐতিহ্যবাহী সুকান দীঘিতে পদ্মফুল ফুটেছে

সকাল পেরিয়ে দুপুরে মৃদু-মন্দ বাতাসে ঐতিহ্যবাহী সুকান দীঘির পানির হালকা ঢেউয়ের তালে তালে মাথা উঁচু করে আছে সাদা-গোলাপী পাঁপড়ির মিশেলে একটা পদ্মফুল। সুকান দীঘি জুড়ে একটা পদ্মফুলের এমন অপরূপ সৌন্দর্য দূর-দূরান্ত থেকে আসা প্রকৃতি প্রেমিদের মনকে যেন নাড়া দেয়। কেউ সুকান দীঘির পাড়ের গাছ তলায় বসে উপভোগ করছেন এ অপরুপ সৌন্দর্য। আবার অনেকেই পায়ে হেটে, বাই সাইকেল, মোটর সাইকেল, রিক্সা, অটোরিক্সায় চড়ে পুরো সুকান দীঘি ঘুরে দেখছেন। সুকান দীঘিতে যতদূর চোখ যায় শুধুই একটি পদ্মফুল।

 

এ মনোরম দৃশ্য মনকে প্রফুল্ল করে তোলে। স্বচ্ছ জলরাশিতে ভেসে থাকা একটি পদ্মফুল পুরো সুকান দীঘি জুড়ে। তাই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পিপাষু ও প্রকৃতি প্রেমিদের কাছে নতুন ঠিকানা লালমনিরহাট সদর উপজেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নের কুর্শামারী গ্রামে সুকান দীঘি। ওই সুকান দীঘিতে আষাঢ় মাস থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত প্রায় ৫ মাস পদ্মফুল ফুটে থাকে।

 

সূর্য উঁকি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটা পদ্মের কলি ভেদ করে পাঁপড়ি মেলে নিজের সৌন্দর্যের জানান, দেয় প্রকৃতির মাঝে। সেই সৌন্দর্যকে যেন আরো নৈসর্গিক করে তোলে খাবার সংগ্রহের জন্য দলবেঁধে ছুটে আসা শালিক পাখি। তাদের কিচির মিচিরে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো সুকান দীঘি। প্রতিটি পদ্ম পাতার উপরে মুক্তার মত টলমল করতে থাকা পানি যেন প্রকৃতির সৌন্দর্যের অলঙ্কার। সুকান দীঘির নয়নাভিরাম দৃশ্য উপভোগ করতে জেলাসহ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীরা ভিড় করে।

 

সুকান দীঘি ঘুরতে আসা কলেজ ছাত্র রিজভী আহম্মেদ সৌরভ জানান, সুকান দীঘির নাম শুনেছি। সরেজমিনে এসে দেখি খুবই মনোমুগ্ধকর পরিবেশ। আমরা স্বপরিবারে সুকান দীঘি ঘুরে অনেক আনন্দ উপভোগ করেছি।

 

গৃহিণী আইরিন বেগম জানান, এটা সুকান দীঘি এর চারপাশে গাছপালা রয়েছে। এখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে সবাই আসতে পারে।

 

কবি ও সাংবাদিক মাসুদ রানা রাশেদ জানান, অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি লালমনিরহাট। এই সুকান দীঘি না এলে বুঝতে পারতাম না লালমনিরহাট আরেকটি রূপের বিষয়। এখানকার মানুষের প্রকৃতি সংরক্ষণের যে তাগিদ তা সত্যিই আকৃষ্ট করে সবাইকে। পর্যটন শিল্পের বিকাশে সুকান দীঘি বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে।

 

আব্দুল হাকিম জানান, আমাদের গ্রামের পশ্চিম পাশে সুকান দীঘি। কয়েক যুগ ধরে ওই দীঘিতে পদ্মফুল ফুটছে। এর সৌন্দর্য উপভোগ করতে দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন আসছে প্রতিনিয়ত। ঐতিহ্যবাহী সুকান দীঘিকে পর্যটন হিসেবে গড়ে তোলার দাবী জেলাবাসীর।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone